তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, গুরুত্ব ও ফজিলত    

তাহাজ্জুদের নামাজের নিয়ম, নিয়ত ও ফজিলত

তাহাজ্জুদ নামাজ (tahajjud namaz)

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে ফযিলতপূর্ণ নামাজ হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামাজ। কোরআন মাজিদে মহান আল্লাহ তায়ালা এই নামাজের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন। পাঁচ ওয়াক্ত আবশ্যক এবং ফরজ নামাজের বাহিরে যদি অন্য কোন মর্যাদাসম্পন্ন ও ফযিলতপূর্ণ নামাজ থাকে সেটি হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামাজ।

তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করতে পারে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের আগে নবী করীম (সাঃ) এর উপর তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক ছিল।

তাই তিনি কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকেন নি। এই নামাজ আদায়ের মাধ্যমে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়। আবার  এই নামাজ না পড়লে কোন গুনাহ হবে না।পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে অনেক ভালো।  

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম

তাহাজ্জুদ নামাজ অন্য সব নামাজের মতোই পড়তে হয়। এর বিশেষ কোন নিয়ম নেই। নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, তাহাজ্জুদের নামাজ দুই রাকাত দুই রাকাত করে আদায় করতে হয়। তিনি কখনো দুই রাকআত, কখনো চার রাকআত, কখনো আট রাকআত, কখনো বারো রাকআত পড়তেন।

কেউ যদি ২ রাকআত পড়তে পারে তবে তার তাহাজ্জুদ সালাত আদায় হবে। এই দুই রাকাত করে সালাত আদায় করার আলাদা কোন নিয়ম নেই। এই নামাজ আদায়ের জন্য কোন  সুনির্দিষ্ট সূরা ও পড়তে হয় না।

নামাজের নিয়মসমূহঃ

তাকবিরে তাহরিমা আল্লাহু আকবর বলে নিয়ত করা। অতঃপর ছানা পড়া,সূরা ফাতিহা পড়া, সূরা মিলানো তথা কেরাত পড়া।অতঃপর অন্যান্য নামাজের ন্যায় রুকু সেজদাহ আদায় করা। এভাবে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে তাশাহুদ,দুরুদ ও দোয়া মাসুরা পড়ার পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।

কোরআন মাজিদের যে সমস্ত সূরা মুখস্থ আছে আপনার তন্মধ্য বড় সূরা যে সূরা আপনি ভালোভাবে পারেন ওইটা দিয়ে পড়েন। আপনি চাইলে এক রাআকাতে কয়েকটি সূরা ও পড়তে পারেন আবার একই সূরা বারবার পড়তে পারেন। এই নামাজ যত আস্তে ধীরে এবং সময় নিয়ে পড়তে পারেন ততো ভালো।

রুকু এবং সেজদাতে লম্বা সময় নিয়ে পড়তে চেষ্টা করবেন। সেজদার তাসবিহ পাঠ করার পর আপনার যতো চাওয়া পাওয়া আছে সব আল্লাহকে বলেন। কারণ সেজদারত অবস্থায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকে।আল্লাহ তায়ালা তার সব চাওয়া-পাওয়া শোনেন এবং পূরণ করেন।  

মহিলাদের তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম

মহিলাদের তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য আলাদা কোন নিয়ম নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য পুরুষ-মহিলাদের একই নিয়ম বিধান করেছেন। 

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত (tahajjud namaz niyat)

نَوَيْتُ اَنْ اسَلَى رَكَعَتِى التَّهَجُّدَ

অর্থঃ হে আল্লাহ আপনার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে দুই রাকাত তাহাজ্জুদের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

নাওয়াইতুয়ান  উসালিয়া  লিল্লাহি  তা’আলা  রাকাআতাই  সালাতিত  তাহাজ্জতিই  মোতাওয়াজ্জিহান  ইলা  জিহাতিল  কাবাতিশ  শারিফাতি, আল্লাহু আকবর।

তাহাজ্জুদ নামাজের সময়

তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘুম থেকে জাগা বা ঘুম থেকে ওঠা। তাহাজ্জুদের নামাজ রাতের শেষ অংশে পড়া উত্তম। তাহাজ্জুদ নামাজের মূল সময় হচ্ছে রাত ২টা থেকে শুরু করে ফজরের আগ পর্যন্ত।

কারো ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হলে এশার নামাজের ফরজ এবং সুন্নত পড়ার পর বিতর নামাজের আগে ২ রাকআত ২ রাকআত করে তাহাজ্জুদের নিয়ত করে এই নামাজ পড়তে পারবেন। এবং পড়ে বিতরের নামাজ পড়বেন। তবে তাহাজ্জুদ নামাজের সর্বোত্তম সময় হচ্ছে শেষ রাতে। 

তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নত নাকি নফল

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন তাহাজ্জুদ নামাজ কি সুন্নত নাকি নফল? 

নফল শব্দের অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত। নফল নামাজ পড়লে আপনার আমলনামায় সওয়াব লেখা হবে। ফরজ নামাজে যদি কোন ত্রুটি থাকে তখন আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের বলেন দেখো এর কাছে কোন নফল নামাজ আছে কি না।তাই ফরজ নামাজের পাশাপাশি নফল নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

আর সুন্নত হচ্ছে যে আমল নবী করীম (সাঃ) করেছেন বা কোরআনে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাহাজ্জুদের নামাজ নবী করীম (সাঃ) নিজে পড়েছেন এবং পড়তে  উৎসাহিত করেছেন তাই এটি সুন্নত। একইসঙ্গে এটি নফল ও বলা যায়। কারণ এই নামাজ আদায় করতে না করলে আপনার গুনাহ হবে না।এটি আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়।   

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত

তাহাজ্জুদের নামাজ সর্বনিম্ন ২ রাকআত এবং সর্বোচ্চ ১২ রাকআত। ৮ রাকআত পড়া উত্তম। বেশিরভাগ সময় রাসুল (সাঃ) তাহাজ্জুদের নামায ৮ রাকাত পড়তেন এবং এর পর বিতরের নামায পরে মোট ১১রাকাত পূর্ণ করতেন।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম নিয়ত তাসবীহ দোয়া ও মোনাজাত

তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত 

রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ (tahajjud namaj) হলো সব রাসুলগনের সুন্নত। আল্লাহ তায়ালা মাহবুব বান্দাগনের অভ্যাস। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার গভীর সম্পর্ক স্থাপন তথা নৈকট্য ও সন্তোষ অর্জনের অন্যতম পন্থা। 

তাহাজ্জুদের ফযিলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, রাতের কিছু অংশ তাহাজ্জুদ নামাজ কায়েম করুন। এটা আপনার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য।আশা করা যায় আপনার প্রতিপালক আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে। (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াতঃ৭৯)

তিনি আরও বলেন, “তারা শয্যা ত্যাগ করে আকাঙ্ক্ষা ও আশংকার সাথে তাদের প্রতিপালককে ডাকে এবং আমি তাদের যে রুজি দিয়েছি তা থেকে তারা দান করে।”( সূরা সেজদাহ, আয়াতঃ১৬) 

পবিত্র কোরআনে সূরা মুযাম্মিলের ছয় নাম্বার আয়াতে  বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই রাতে ঘুম থেকে ওঠা মনকে দমিত করার জন্য খুব বেশি কার্যকর এবং সে সময়ের কোরআন পাঠ বা জিকির খুবই যথার্থ”।

তারা রাতের সামান্য অংশ নিদ্রায় অতিবাহিত করে এবং রাতের শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনা করে।(সূরা আয-যারিয়াত, আয়াতঃ ১৭-১৮)      

আর আল্লাহর প্রিয় বান্দা তারা যারা তাদের রবের দরবারে সেজদাহ করে এবং দাড়িয়ে থেকেই রাত কাঠিয়ে দেয়। (সূরা আল-ফোরকান, আয়াতঃ৬৪)   

ইসলামের প্রাথমিক যুগে কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ী হওয়ার পিছনে মূল ভূমিকা ছিলো যে তারা রাতের শেষ ভাগে আল্লাহ তায়ালার দরবারে চোখের পানি ফেলতেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। 

কোরআনে বলা হয়েছে, তারা ছিল কঠিন পরীক্ষায় পরম ধৈর্যশীল, অটল অবিচল,সত্যের অনুসারী, পরম অনুগত। আল্লাহর পথে ধন-সম্পদ উৎসর্গকারী এবং রাতের শেষ প্রহরে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। (সূরা আলে-ইমরান, আয়াতঃ ১৭) ।

হাদিস শরিফে তাহাজ্জুদ নামাজের তাৎপর্য ও গুরুত্ব উল্লেখ করা আছে। 

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর থেকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, আফজালুস সালাতি বাদাল মাফরুদাতি সালাতুল লাইলি’ ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ।(মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ)

রাসুল (সাঃ) বলেন, আমাদের প্রভু পরওয়ারদিগার তাবারাকা ওয়া তা’আলা প্রত্যেক রাত্রে দুনিয়ার আসমানে (যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়) নেমে আসেন যখন রাত্রের এক তৃতীয়াংশ বাকী থাকে । অতঃপর তিনি বলেন, তোমাদের কে আমাকে ডাকবে! আমি তার ডাকে সাড়া দেব । কে আমার কাছে কিছু চাইবে আমি তাকে তা দেব, কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। (মুসলিম, মেশকাত ১০৯ পৃঃ)

রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি রাত্রে ঘুম থেকে জেগে তাহাজ্জুদের নামায পড়ে এবং সে তার স্ত্রীকেও ঘুম থেকে জাগিয়ে নামায পড়ায় এমনকি সে যদি জেগে না উঠে, তবে তার মুখে খানিকটা পানি ছিটিয়ে দেয় তাহলে তার প্রতি আল্লাহ রহমত বর্ষণ করে থাকেন। অনুরুপ কোন মহিলা যদি রাত্রিকালে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ নামায পড়ে এবং সে তার স্বামীকে নামাযের জন্য জাগায় এমনকি স্বামী না জাগলে স্ত্রী তার মুখে পানি ছিটিয়ে তার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেয় তাহলে তার প্রতিও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে। (আবু দাউদ, নাসায়ী, মেশকাত ১০৯ পৃঃ)

কেয়ামতের ভয়াবহ বিপর্যয় ও কঠিন হিসাব-নিকাশের দিবসে কোন ব্যক্তি যদি সহজ হিসাব কামনা করে, তবে তার উচিত হবে নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া।

শ্রেষ্ঠতম মুফাসিসরে কোরআন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (র.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হাশরের ময়দানে সহজ হিসাব কামনা করে, তার উচিত হবে আল্লাহ যেন তাকে রাত্রির অন্ধকারে সেজদারত ও দাঁড়ানো অবস্থায় পান। তার মধ্যে পরকালের চিন্তা ও রহমতের প্রত্যাশাও থাকা দরকার। (তাফসিরে কুরতুবি, মা’আরেফুল কোরআন, ক্বিয়ামুল লাইল)

হজরত জাবির (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলতে শুনেছি রাতের মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত আছে যদি কোন মুসলমান তা তালাশ করে এবং আল্লাহর কাছে ইহ ও পরকালের কোন কল্যাণ চায় আল্লাহ নিশ্চয় তাকে তা দেন। (সহিহ মুসলিম)    

তাহাজ্জুদ নামাজে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যে দোয়া পড়তেন

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে তাহাজ্জুদের উদ্দেশে যখন দাঁড়াতেন,ম তখন (এ) দোয়া পড়তেন-

اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ، لَكَ مُلْكُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ،

وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ الْحَقُّ، وَوَعْدُكَ الْحَقُّ، وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ، وَقَوْلُكَ حَقٌّ، وَالْجَنَّةُ حَقٌّ، وَالنَّارُ حَقٌّ،

وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ، وَمُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم حَقٌّ، وَالسَّاعَةُ حَقٌّ، اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ـ أَوْ لاَ إِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু আংতা কায়্যিমুস সামাওয়অতি ওয়াল আরদি ওয়া মান ফিহিন্না ওয়া লাকালহামদু। লাকা মুলকুস সামাওয়অতি ওয়াল আরদি ওয়া মান ফিহিন্না। ওয়া লাকাল হামদু আংতা নুরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লাকাল হামদু আংতাল হাক্কু। ওয়া ওয়া’দুকাল হাক্কু। ওয়া লিক্বাউকা হাক্কু। ওয়াল ঝান্নাতু হাক্কু। ওয়ান নারু হাক্কু। ওয়ান নাবিয়্যুনা হাক্কু। ওয়া মুহাম্মাদুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা হাক্কু। ওয়াস সাআতু হাক্কু। আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু। ওয়াবিকা আমাংতু ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু। ওয়া ইলাইকা আনাবতু। ওয়া বিকা খাসামতু। ওয়া ইলাইকা হাকামতু। ফাগফিরলি মা কাদ্দামতু ওয়া মা আখ্খারতু। ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লাংতু। আংতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আংতাল মুআখ্খিরু। লা ইলাহা ইল্লা আংতা। লা ইলাহা গাইরুকা।’ (বুখারি)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! সব প্রশংসা আপনারই, আপনিই আসমান-জমিন ও উভয়ের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর নিয়ামক এবং আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আসমান-জমিন এবং এর মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর কর্তৃত্ব আপনারই। আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আপনি আসমান-জমিনের নুর। আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আপনি আসমান-জমিনের মালিক, আপনারই জন্য সব প্রশংসা।

আপনিই চির সত্য। আপনার ওয়াদা চির সত্য। (পরকালে) আপনার সাক্ষাৎ সত্য। আপনার বাণী সত্য। আপনার জান্নাত সত্য। আপনার জাহান্নাম সত্য। আপনার (প্রেরিত) নবিগণ সত্য। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য, কেয়ামত সত্য।

তাহাজ্জুদ নামাজ (tahajjud namaz) অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ নামাজ। ফরজ নামাজের পড়েই এই নামাজের অবস্থান। তাই সব মুসলিম বান্দাদের উচিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া এবং মনকে পবিত্র করা। আল্লাহ সব মুলসিম উম্মাহকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার তওফিক দান করুন। আমিন।  

পোস্টটি শেয়ার করুন !

কপিরাইট © 2021 BDBasics || সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত