বরই এর ১৭টি উপকারিতা ও ঔষধি গুণ জেনে নিন

    বরই এর উপকারিতা
    পোস্টটি শেয়ার করুন !

    বরই এমন একটি ফল যা শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত কম বেশি সব বয়সি মানুষের কাছেই অত্যন্ত প্রিয় ফল। তবে খেতে টক হওয়ার দরুন, বিশেষত মেয়েরা বরই বলতেই পাগল। ভাবুন তো একটা বরই এবং তার সাথে সামান্য লবণ এবং মরিচের গুড়া, একসাথে খাচ্ছেন, আপনার জিভে জল চলে এসেছে, তাই না? এ বিষয়ে আমি না দেখেই নিশ্চিত ভাবে বলে দিতে পারি।

    এই মুখরোচক ফলটি শীতকালে আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই পাওয়া যায়। খেতে সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি নানান রকম গুণাগুণ সম্পন্ন ফল এই বড়ই।

    আপনি মজা করে বরই খেলেন আর সাথে মুক্তিও পেয়ে গেলেন বিভিন্ন রোগের হাত থেকে, আপনাকে নতুন করে ঔষধ খেতে হল না, তাহলে কেমন হয়?

    আজ আলোচনা করব বরই এর এমন সকল গুণাগুণ নিয়ে, যেগুলো হয়ত আপনি জানেনই না।

    এই আর্টিকেল পড়ে যা যা জানতে পারবেনঃ
    বরই কি?
    
    বড়ই কেন খাবেন?
    
    বরই এর পুষ্টিগুণ
    
    বড়ই এর উপকারিতা
    
    কারা বড়ই খাবেন না?
    
    বরই আচারের রেসিপি
    
    বরই আচারের উপকারিতা
    

    বরই কি?

    বরই এর সাথে কাউকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার কি প্রয়োজন আছে? আমাদের দেশের ছোট্ট শিশুরাও এই ফলটির সাথে পরিচিত। বড়ই অবশ্য বিভিন্ন জায়গায় কুল নামেও পরিচিত। এটি কাচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতেই খাওয়া যায়।

    এটি সাধারনত একটি শীতকালীন ফল, তবে এর কিছু জাত বর্তমানে বারো মাসই পাওয়া যায়। আমাদের দেশের প্রায় সব ধরনের মাটিতেই বরই জন্মায়।

    বরই এর বিভিন্ন জাতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ

    ১) দেশি টক বরই

    ২) নারকেল বরই

    ৩) আপেল কুল

    ৪) বাউ কুল

    ৫) থাই কুল ইত্যাদি।

    পতিত জায়গায়, ছাদ কিংবা বেলকুনিতে বরই এর গাছ লাগানো যায়। আবার বড়ই এর বাগান করাও অত্যন্ত লাভজনক। টক মিষ্টি স্বাদের এই ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। এছাড়াও বরই নানান রকম ভেষজ ও পুষ্টি গুণাগুণে ভরপুর।

    এসকল গুণাগুণ নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা থাকবে এই পোস্টটিতে।

    বরই কেন খাবেন?

    বড়ই কেন খাবেন, না বলে বলা উচিৎ কেনো খাবেন না বরই? বরই খেতে ভীষণ সুস্বাদু। বড়ই অনেকটাই সহজল্ভ্য শহর এবং গ্রাম জুড়ে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই পাওয়া যায় বরই।

    সিজনাল টাইমে মানে শীতকালে বেশ অল্প দামেই বিক্রি হয় বরই। একটু লবণ ছিটিয়ে দেশি টক বরই খেতে বড়ই মজা। আর বিভিন্ন ধরনের বরইয়ের আচার খেতে অতুলনীয়। এছাড়া বরইয়ে রয়েছে নানান রকমের ভিটামিন, পুষ্টি গুণাগুণ, ভেষজ উপকারিতা। বড়ই খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

    আর বাসার সামনে পড়ে থাকা জায়গায়, বেলকুনিতে কিংবা বাসার ছাদে সহজেই বরইয়ের গাছ লাগানো যায়। এছাড়াও বরইয়ের উপকারিতা আরো নানাবিধ। তাই দেহের পুষ্টি গুণাগুণ এর অভাব পূরনের জন্য, ভিটামিনের চাহিদা পূরনের জন্য বরই খাওয়া উচিৎ।

    বরই এর পুষ্টিগুণ

    বরইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি। এছাড়াও বরইয়ে আছে আরো অনেক পুষ্টি গুণাগুন।

    ৮০ গ্রাম কুল বরই এ যে সকল খাদ্য উপাদান বিদ্যমান তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ

    উপাদানের নামপরিমান
    ক্যালরি২৯ কিলো ক্যালরি
    আমিষ০.০৫ গ্রাম
    চর্বি০.১০ গ্রাম
    কার্বহাইড্রেট৭.০০ গ্রাম
    ফাইবার১.৭০ গ্রাম
    পটাশিয়াম১৯২ মিলিগ্রাম

    বরই এর উপকারিতা

    বরই এর নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে। বরই এর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করছি।

    ১) এন্টি অক্সিডেন্ট এর উৎস

    বরই এন্টি অক্সিডেন্ট এর খুব ভালো উৎস। যার উপস্থিতে অক্সিজেন অন্য কোন উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে দেহকোষের ক্ষতিসাধন করতে পারে না।

    এতে এন্থোসায়ানিন রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। বরই এবং কুল এই রক্ষাকারী উপাদানে ভরপুর।

    ২) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

    বরই এ ভিটামিন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মৌসুমি অসুখ যেমনঃ জ্বর, সর্দি, কাশি থেকেও দেহকে সুরক্ষা প্রদান করে।

    এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সি সংক্রামক রোগ এবং বিভিন্ন ঘা হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

    ৩) হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করা

    বরই হার্টকে ভালো রাখে। কারন এতে রয়েছে পলিফেনোলস যা কার্ডিও ভাস্কুলার ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। আর বরই রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে হার্ট সচল থাকে।

    ৪) রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রন করা

    বরইয়ে ক্লোরোজেনিক এসিড থাকে। এই এসিড রক্তের শর্করা এর ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন করে।

    আর এতে থাকা ফাইবার উপাদান রক্তের সুগার বাড়তে দেয় না এবং নিয়ন্ত্রনে রাখে।

    ) হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো

    বরইয়ে ফাইটোকেমিকেল থাকার দরুন শরীর এর প্রদাহ কমে যায়। এর ফলে হৃদ রোগের ঝুকি কমে যায়। এবং বরই হার্ট এর অন্যান্য অসুখ হওয়ার থেকেও আমাদের রক্ষা করে।

    ৬) ক্যান্সারের আক্রমন থেকে দেহকে সুরক্ষা প্রদান

    বরইয়ে রয়েছে ক্যান্সার কোষ, টিউমার কোষ এবং লিউকোমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা। এটিকে এন্টি-ক্যান্সার ফল বলা হয়।

    ৭) রক্তকে বিশুদ্ধ করা

    বরই রক্তকে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে এবং রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ পরিশোধিত করে রক্তকে বিশুদ্ধ করে।

    এটি ডায়ারিয়া, রক্তশূন্যতা, স্থুলতা ইত্যাদি থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

    ৮) যকৃতকে কার্যকরী করে তোলা

    বরইযকৃতের নানান ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। যকৃতকে পরিশুদ্ধ রাখে, এবং এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

    ৯) হজমে সাহায্য করা

    বরই খাবার হজম করতে সাহায্য করে। বরইয়ে খাবার পরিপাকে সহায়ক এনজাইমের উপস্থিতি রয়েছে।

    তাই ভরপেটে বরই খেলে তা খাদ্য হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ১০) বিষাদ থেকে মুক্তিদান

    বরইয়ে এমন উপাদান আছে যা মানসিক দুশ্চিন্তা ও অবসাদ কে দূরে রাখতে সাহায্য করে। দেহ ও মনকে রিফ্রেশ করার ক্ষমতা রয়েছে বরইয়ে।

    ১১) ব্রেইনকে সচল ও অধিক একটিভ করে তোলা

    বড়ইয়ের অধিকতর পলিফেনোল পদার্থ ব্রেইনকে কার্যকর করতে সাহায্য করে। এবং এর ফলে দেহের কগনিটিভ ফাংশন এর উন্নতি সাধন হয়।

    ১২) খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করা

    বরইয়ের আচার এবং চাটনি অত্যন্ত মুখরোচক খাবার। এগুলো দৈনন্দিন খাবারের সাথে খাওয়া যায়। এর ফলে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে।

    ১৩) হাড়কে রক্ষা করা এবং হাড়ক্ষয় রোধ করা

    বরইয়ে ক্যালসিয়াম থাকাই তা হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। শুকনা বড়ই ক্ষয়ে যাওয়া হাড়কে রিকভার করতেও সাহায্য করে।

    ১৪) অনিদ্রা থেকে মুক্তি

    বরই খেলে ইনসোমনিয়া এবং অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর মধ্যে থাকা শক্তিশালী ক্যামিক্যাল ব্রেইনকে শান্তি প্রদান করে, যার ফলে ভালো ঘুম হয়।

    ১৫) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা

    বরই পেটকে পরিষ্কার করে। কারও যদি কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে, তার বেশি করে বরই খাওয়া উচিৎ। বড়ই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যায়।

    ১৬) বরইয়ের বাগান করে কর্মসংস্থান

    বরইয়ের বাগান করে কর্মসংস্থান গড়া যায়। এছাড়া বরইয়ের ব্যাবসা করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়।

    ১৭) বরই প্রক্রিয়াজাত করে উপার্জন করা যায়

    বরইয়ের আচার, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি প্রক্রিয়াজাত করে অর্থ উপার্জন করা যায়। এসকল পণ্যের বাজারে বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আপেল ও আপেল সিডার ভিনেগারের ১০টি উপকারিতা ও গুণাগুণ জেনে নিন

    বড়ই এর ঔষধি গু

    বরই এর এমন কিছু ঔষধি গুণ আছে যা হাজার টাকার ঔষধের খরচ বাচিয়ে দিতে পারে। নিচে বরই এর ঔষধি গুণ সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা করব।

    👉 বরই এর পাতায় এন্টিসেপ্টিক উপাদান আছে, যা দেহকে জীবানু মুক্ত করতে সাহায্য করে।
    
    👉 বড়ই এর এন্টি অক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
    
    👉 বরইয়ে বিদ্যমান ভিটামিন সি বিভিন্ন রোগ এর ঔষধ হিসেবে কাজ করে।
    
    👉 বরইয়ে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম দেহের হাড় মজবুত করে
    
    👉 বড়ই স্বর্দি কাশির হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে।
    
    👉 বরই শরীরকে ক্যান্সারের আক্রমন থেকে রক্ষা করে।
    
    👉 বড়ই হৃদরোগ এর ঝুকি কমাতে সহায়তা করে।
     
    👉 বরই হজমে সাহায্য করে এবং রুচি বর্ধক হিসেবে কাজ করে।
    
    👉 বড়ই প্রদাহ এবং গ্যাস্ট্রিক থেকে বাচায়।
    
    👉 বরই রক্ত পরিশোধন এবং পরিবহনে সাহায্য করে।
    
    👉 বড়ই এর বিচিতেও ভেষজ গুনাগুন বিদ্যমান।
    

    কারা বড়ই খাবেন না?

    সকল বয়সি মানুষই বরই খেতে পারবেন। তবে অতিরিক্ত বরই খাওয়া ঠিক না।

    ⇒ যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বরই কম খাওয়া উচিৎ, কারন এতে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
    
    ⇒ কিছু মানুষের বরই এ এলার্জি থাকতে পারে, তাদের বরই খাওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে। 
    
    ⇒ অতিরিক্ত বরই খেলে গ্যাস্ট্রিক কিংবা ডায়ারিয়া হতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।

    আর অনেকে বলে, কাচা বরই খেলে স্বর্দি লাগতে পারে কিংবা কাশি হতে পারে, এটি ভুল ধারনা। কাচা বরই বরং এ রোগগুলোর প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে।

    বরই এর আচার

    বরই এর আচার অত্যন্ত মুখরোচক ও উপকারী খাদ্য। সকলের কাছেই এই আচার অত্যন্ত প্রিয়।

    স্কুলের টিফিন টাইমে বরইয়ের আচার কিনে খাওয়া, বিভিন্ন মেলায় আচারের দোকান থেকে বরইয়ের আচার কিনে খাওয়া, সন্তান সম্ভবা মার বরইয়ের আচার এর প্রতি আকর্ষন, পার্কে বসে প্রেয়সীর সাথে বরইয়ের আচার খাওয়া, দাদি-নানির হাতে বানানো স্পেশাল আচার এ সবই আমাদের জীবনের সাথে নিবিড় ভাবে জড়িয়ে আছে।

    কিভাবে সুস্বাদু টক মিষ্টি বরইয়ের আচার তৈরি করবেন তার রেসিপি আপনাদের দেখাবো। এর পাশাপাশি বরইয়ের আচারের যে নানারকম উপকারিতা রয়েছে তা নিয়েও আলচনা করব।

    বরই আচার

    বরইয়ের আচার এর রেসিপি

    আপনাদের দেখাবো কিভাবে খুব সহজেই শুকনা বরই দিয়ে মজাদার টক ঝাল মিষ্টি আচার তৈরি করবেন।

    উপকরন

    শুরুতেই নিচের টেবিলে দেখে নিন বরইয়ের আচার তৈরি করতে কি কি উপকরন লাগবে।

    ক্রমিক নংউপকরনপরিমান
    বরই১ কেজি
    আখের গুড়/ চিনিহাফ কেজি
    হলুদ গুড়াহাফ চা চামচ
    মরিচ গুড়া১ চা চামচ
    লবন২ চা চামচ
    সরিষার তেল২৫০ গ্রাম
    কালোজিরা টেলা গুড়াহাফ চা চামচ
    গরম মশলা গুড়াহাফ চা চামচ
    মৌরি টালা গুড়া১ চা চামচ
    ১০মেথি টালা গুড়াহাফ চা চামচ
    ১১ধনে গুড়াহাফ চা চামচ
    ১২আদা রসুন কুচিপরিমান মত
    ১৩সাদা এলাচ, দারুচিনিকয়েক টুকরা
    ১৪তেজপাতা১টি

    এছাড়া আপনারা চাইলে পরিমাণ কম বেশি করতে পারেন। কোন উপাদান না থাকলে স্কিপ করতে পারেন, অন্য কোন উপাদান যোগ করতে পারেন।

    প্রণালি

    শুরুতে বরই ধুয়ে বোটা ছড়িয়ে নিতে হবে। তারপর পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। বরইকে কড়া রোদে ৩-৪ দিন ভালোভাবে শুকাতে হবে।

    তারপর বড়ই গুলো শুকে গেলে, গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর বরই গুলো থেতলে বিচি থেকে বরই হালকা আলাদা নিতে হবে। তারপর কড়াইয়ে সরিষার তেল হালকা গরম করে নিতে হবে।

    তারপর তেলের মধ্যে আদা রসুন কুচি, তেজপাতা, সাদা এলাচ, দারুচিনি ইত্যাদি ঢেলে দিতে হবে। তারপর বড়ই গুলো সব কড়াইয়ে ঢেল দিতে হবে।

    এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভাজতে হবে। এরপর গুড় অথবা চিনি আচারের মধ্যে মিশিয়ে আর ১০ মিনিট ভেজে নিতে হবে।

    তারপর বাকি সকল মশলা পাতি আচারের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এভাবে অল্প আচে ৫ মিনিটের মত আচারটি নাড়তে হবে। এরপর কড়াই থেকে নামিয়ে সুবিধা মত পাত্রে রাখতে হবে।

    সংরক্ষণ

    বরইয়ের আচার অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষন করা যায়। কাচের পাত্রে বড়ই বেশি ভাল থাকে। কাচের বয়্যাম কিংবা পাত্রে হালকা সিরকা অথবা সরিষার তেল নিতে হবে। তারপর আচার পাত্রে ভরতে হবে। ফ্রিজে রেখেও আচার সংরক্ষন করা যায়। কিছুদিন পর পর আচার রোদে দিলে তা ভাল থাকে।

    বরই এর আচারের উপকারিতা

    বরই এর আচার যেমন খেতে সুস্বাদু তেমন বরই এর আচারের অনেক গুণাগুণ রয়েছে। বড়ই এর আচারের নানান উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করছি।

    👉 বরই এর আচারের মধ্যে খাদ্য হজমের শক্তি আছে। খাদ্য হজমে এটি সহায়তা করে।
    
    👉 খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে বরই এর আচার অনন্য ভূমিকা পালন করে।
    
    👉 বরইয়ের আচার প্যাকেটজাত করে কর্মসংস্থান গড়া যায়।
    
    👉 বরই এর আচার রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
    
    👉 হার্ট এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বরই এর আচার ভূমিকা পালন করে।
    
    👉 বড়ই এর আচার পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। 
    

    এছাড়াও বরই এর আচারের নানান রকমের উপকারিতা ও গুণাগুণ রয়েছে। বড়ই এর এরকম নানাবিধ উপকারিতা ও ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে। বরই একটি অত্যন্ত উপকারি ফল। তাই আমাদের বেশি বেশি বরই খাওয়া উচিৎ। বড়ই খেলে আমদের শরীর এর উৎকর্ষ সাধন হবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

    References:

    https://www.webmd.com/food-recipes/benefits-plums

    https://www.webmd.com/food-recipes/benefits-plums#:~:text=Plum%20Nutrition,-One%20cup%20of&text=Calories%3A%2076,Carbohydrates%3A%2018%20grams

    https://www.bbcgoodfood.com/howto/guide/health-benefits-plums


    পোস্টটি শেয়ার করুন !

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    কপিরাইট © 2021 BDBasics || সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত