সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, আরবি অডিও

    সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা
    পোস্টটি শেয়ার করুন !

    মানুষের কল্যাণে কুরআন নাজিল করা হয়েছে। যা সকল মুমিনের পথ প্রদর্শক ।যার মধ্যে নিহিত রয়েছে সকল সমস্যার সমাধান।যা মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণে রয়েছে বিশেষ কিছু আয়াত। তার মধ্যে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ও বিদ্যমান।

    আজকের আর্টিকেলে আমরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ, আরবি অডিও এবং ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

    আর্টিকেলটি পিডিএফ ফরমেট ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত (sura hasorer ses 3 ayat bangla)

    সূরা হাশর পবিত্র কুরআনের ৫৯ নম্বর সূরা। এই সূরাটি মদীনায় অবতীর্ন হয়। এই সুরা হাশর এর আয়াত সংখ্যা ২৪ টি।  ইহুদি গোত্রের সঙ্গে একদল সংগ্রামী মুসলমানের সংগ্রামের কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে এই সূরাটিতে। তাছাড়া মহান আল্লাহ তায়ালার গূণ ও মহত্ত্ব নিয়েও আলোচণা করা হয়েছে সুরায়। পবিত্র কোরআন পাক সম্পর্কেও বর্ণনা করা আছে এই সুরায়।           

    কুরআন এর সকল সূরা পাঠের ফযিলত অনেক বেশি। কুরআন এর বিশেষ কিছু আয়াত পাঠের অনেক ফযিলত রয়েছে যা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বয়ে আনে। তেমনি সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত তথা ২২,২৩ এবং ২৪ নং আয়াত পাঠের ফযিলত অনেক বেশি। প্রকৃতপক্ষে, এই  ৩টি আয়াতে কুরআনে আল্লাহর নামগুলির সর্বাধিক ঘনত্ব রয়েছে এবং এটি মুখস্থ করা সহজ ।

    সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত উচ্চারনঃ আরবি ও বাংলা

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত আরবিঃ

    بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

    هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَهُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

    সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণঃ

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।

    হুওয়াল্ল-হুল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা-হু আ-লিমুল গইবি ওয়াশশাহা-দা হুওয়ারহ্‌ মা-নুর রহীম। হুওয়াল্ল-হুল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা-হুওয়াল মালিকুল কুদ্দূসুস সালা-মুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আঝীঝুল জাব্বা-রুল মুতাকাব্বির সুবহা-নাল্ল-হি ‘আম্মা-ইউশরিকূন।হুওয়াল্ল-হুল খ-লিক্বুল বা-রিউল মুছওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা-; ইউসাব্বিহুলাহূ মা-ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ ওয়াহুওয়াল ‘ আঝীঝুল হাকীম।

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত mp3

    সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা অর্থঃ

    তিনিই সেই আল্লাহ্ যিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, তিনি অদৃশ্যের ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। তিনি পরম করুণাময়, অফুরন্ত ফলদাতা।

    তিনিই সেই আল্লাহ্ যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, — রাজাধিরাজ, মহাপবিত্র, প্রশান্তিদাতা, নিরাপত্তা-বিধায়ক, সুরক্ষক, মহাশক্তিশালী, মহামহিম, পরম গেরবান্নিত। সকল মহিমা আল্লাহ্‌র, তারা যা আরোপ করে তার বহু উর্ধ্বে।

    তিনি আল্লাহ্‌, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁরই হচ্ছে সর্বাঙ্গসুন্দর নামাবলী। মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা তাঁরই জপতপ করে, আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ইংরেজি অর্থঃ

    He is Allah—there is no god worthy of worship except Him: Knower of the seen and unseen. He is the Most Compassionate, Most Merciful. 

    He is Allah—there is no god except Him: the King, the Most Holy, the All-Perfect, the Source of Serenity, the Watcher of all, the Almighty, the Supreme in Might, the Majestic. Glorified is Allah far above what they associate with Him in worship! 

    He is Allah: the Creator, the Inventor, the Shaper. He alone has the Most Beautiful Names. Whatever is in the heavens and the earth constantly glorifies Him. And He is the Almighty, All-Wise.

    আরো পড়ুনঃ আয়াতুল কুরসিঃ বাংলা উচ্চারণ, বাংলা অর্থ, আরবি অডিও এবং পিডিএফ

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের তাফসীর

    সূরা আল হাশরের সর্বশেষ তিন আয়াত তথা ২২,২৩ এবং ২৪ নং আয়াতটিতে আল্লাহর কয়েকটি গুণাবলীর বর্ণনা পাওয়া যায়।

    আয়াত ২২ঃ

    هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ عَٰلِمُ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ٱلرَّحِيمُ

    আলিমুল-গাইবি ওয়াশ-শাহাদতী (অদৃশ্যের ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা) অদৃশ্যের ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা বৈশিষ্ট্যটির অর্থ, আল্লাহ দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানেন।

    আয়াত ২৩ঃ

    هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْمَلِكُ ٱلْقُدُّوسُ ٱلسَّلَٰمُ ٱلْمُؤْمِنُ ٱلْمُهَيْمِنُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْجَبَّارُ ٱلْمُتَكَبِّرُ سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ

    #আল-কুদ্দুস 

    আল-কুদ্দুস বৈশিষ্ট্যটির অর্থ ‘সমস্ত ত্রুটি থেকে সর্বাধিক বিশুদ্ধ’, আল্লাহ হলেন সর্বাত্মক ত্রুটি, ঘাটতি এবং অসম্পূর্ণতা থেকে মুক্ত যা তাঁর চূড়ান্ত মর্যাদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

    #আল-মুমিন

    ‘মুমিন’ শব্দটি যখন কোনও মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তখন তার অর্থ একজন বিশ্বাসী, কিন্তু যখন এই বৈশিষ্ট্যটি আল্লাহর উপর প্রয়োগ করা হয়, তখন এর অর্থ হ’ল যিনি শান্তি ও সুরক্ষা প্রদান করেন, যেমনটি ইবনে ‘আব্বাস আর.এ ব্যাখ্যা করেছেন। এর অর্থ হ’ল যারা আল্লাহ ও তাঁর ম্যাসেঞ্জারে বিশ্বাসী তাদের তিনি সুরক্ষা এবং নিখুঁত শান্তি প্রদান করেন।

    #আল-মুহাইমিন

    আল-মুহাইমিন গুণটি ইবনে ‘আব্বাস আর.এ অনুসারে, মুজাহিদ এবং কাতাবাহ অর্থ ‘অভিভাবক ’। আরবি অভিধানটি আল-কামুস ব্যাখ্যা করেছেন যে এর রুটটি ‘হামান’ যার অর্থ ‘দেখাশোনা করা ’

    আয়াত ২৪ঃ

    هُوَ ٱللَّهُ ٱلْخَٰلِقُ ٱلْبَارِئُ ٱلْمُصَوِّرُ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ يُسَبِّحُ لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

    #আল-মুসওয়াওয়ির (সকল আকারের প্রবর্তক)

    অন্য কথায়, তিনি তাঁর তৈরি প্রতিটি জিনিসকেই আকার দেন। তিনি সমস্ত প্রাণীকে নির্দিষ্ট আকার দিয়েছিলেন যার দ্বারা তারা একে অপরের থেকে আলাদা হয়। প্রতিটি প্রজাতির একটি আকার অন্য সমস্ত প্রজাতির থেকে আলাদা ।একটি প্রজাতির মধ্যেও পুরুষ ও স্ত্রীদের মধ্যে আকারের পার্থক্য রয়েছে। তারপরে এমনকি এক লিঙ্গের ব্যক্তির আকারের মধ্যেও অগণিত পার্থক্য রয়েছে। আকার দেওয়ার উত্কর্ষতা এত উচ্চ মাত্রায় যে লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও স্ত্রীলোকের আকারগুলি একে অপরের থেকে এমনভাবে পৃথক যে কোনও মুখই অন্য কোনও মুখের অনুলিপি নয়।  যদি এটি না হত তবে কাউকে অন্যের থেকে আলাদা করা যেত না।  সৃজনশীল শক্তির এই শ্রেষ্ঠত্ব এবং সিদ্ধি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নয়। যেমন তাকাব্বুর (মাহাত্ম্য প্রদর্শন) আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও জন্য অনুমোদিত নয় (যেমন কিবরিয়া তাঁর একান্ত বৈশিষ্ট্য), তেমনিভাবে আল্লাহ ছাড়াও কারও ছবি তৈরির অনুমতি নেই, কারণ এটিও আল্লাহর একচ্ছত্র বৈশিষ্ট্য।

    #লাহুল আসমা-উল-হুসনা (তাঁর সুন্দর নাম)

    পবিত্র কোরআন আল্লাহ তায়ালার এই অতি সুন্দর নামগুলির সঠিক সংখ্যা দেয় নি। বিভিন্ন নবী হাদীছ তাদেরকে নিরানব্বই গণনা করেছেন। তিরমিজি তাদের খণ্ডে সকল নিরানব্বই নামগুলো সংগ্রহ করেছেন। বহু বিদ্বান আসমা-উল-হুশনা বা ‘আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ’ বিষয়ে পুরো বই লিখেছেন। বর্তমানের লেখক মুনাজাত-ই-মকবুলের সংযোজন হিসাবে প্রকাশিত ‘আল্লাহর সর্বাধিক সুন্দর নাম’ বিষয় নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত মনোগ্রাফও সংকলন করেছেন (লিখেছেন মাওলানা আশরাফ আলী থানাভি রাহমাতুল্লাহ ‘আলাইহ)।

    সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত

    কেউ যদি মাগরিবের পর সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত (হুয়াল্লাহুল্লাজী লা-ইলাহা) পড়ে তবে ফজর পর্যন্ত ৭০ হাজার ফেরেশ্তা তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করে এবং ফজরের পর পড়লে মাগরীব পর্যন্ত তদ্রুপ করে। 

    এটি একটি হাদীসের মর্মার্থ। হাদীসটি হল-

    حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ طَهْمَانَ أَبُو الْعَلاَءِ الْخَفَّافُ، حَدَّثَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي نَافِعٍ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَقَرَأَ ثَلاَثَ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْحَشْرِ وَكَّلَ اللَّهُ بِهِ سَبْعِينَ أَلْفَ مَلَكٍ يُصَلُّونَ عَلَيْهِ حَتَّى يُمْسِيَ وَإِنْ مَاتَ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ مَاتَ شَهِيدًا وَمَنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي كَانَ بِتِلْكَ الْمَنْزِلَةِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

    হজরত মাকাল ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,

    যে ব্যক্তি সকালে ৩বার আউজু বিল্লাহিস সামিঈল আলিমি মিনাশশাইত্বানির রাঝিমসহসুরা হাশরের’ শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা আল্লাহ তাআলা নিযুক্ত করবেন।

    সে ফেরেশতাগণ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উক্ত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকবেন  এবং তার ওপর আল্লাহর রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। যদি ঐ দিন সে ব্যক্তি মারা যান তবে সে শহীদি মৃত্যু লাভ করবে।

    আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় এ আয়াতগুলো তিলওয়াত করবে তাঁর জন্যও আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিযুক্ত করবেন। যারা তাঁর ওপর সকাল হওয়া পর্যন্ত রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। আর যদি ঐ রাতে সে ব্যক্তি মারা যান তবে সে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। (সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৯২২)

    সুরা হাশরের শেষ আয়াত কখন ও কিভাবে পড়বেন?

    হাদিস শরিফে ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর সুরা হাশরের শেষ তিনটি আয়াত পাঠ করার কথা বলা হয়েছে। কারণ এ সময় তা তিলওয়াত করার ফযিলত অনেক বেশি। মসজিদগুলোতে অনেকসময় ইমাম সাহেবগণ মুসল্লিদের শিক্ষা দেয়ার জন্য পড়িয়ে থাকেন। কিন্তু একাকী পড়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু যেহেতু মুসল্লিদের অনেকেই এটি জানে না, তাই এভাবে পড়ালে তাতে কোনো আপত্তি নেই।

    সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ জেনে এবং অডিও শুনে সহিহ ভাবে মুখস্ত করতে পারবেন। যা নিয়মিত তিলওয়াত করে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ বয়ে আনতে পারবেন। কারণ আল্লাহ্‌ তায়ালা তা মানুষের কল্যাণের জন্যই নাযিল করেছেন।


    পোস্টটি শেয়ার করুন !

    Leave a Reply

    Your email address will not be published.

    কপিরাইট © 2021 BDBasics || সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত